নবজাতক শিশুর যত্ন কিভাবে করবেন ? | How to Care a New Born Baby ?| Bengali Helth Tips

একটি শিশুকে সুস্থ ও ভালো রাখা একটি মায়ের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বাচ্চাদের মন বোঝা খুবই কঠিন ব্যাপার। প্রথমবার ‘মা’  হওয়ার অনুভুতি খুবই আনন্দদায়ক, অন্যরকম একটি Feelings।

সাথে সাথে শুরু হয়ে যায় শিশুকে কিভাবে বড় করে তুলবেন তার  দায়িত্ব। প্রত্যেক মায়ের মনে অনেক স্বপ্ন থাকে তার সন্তানকে নিয়ে, কিভাবে তাকে সঠিক ও আদর্শ শিক্ষায় বড় করে তুলবে, কিভাবে তাকে তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করবে।

নবজাতক শিশুর যত্ন কিভাবে করবেন-

প্রথম মাস(First 1 month)-

প্রথম এক মাস একটি বাচ্চার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়। একটি বাচ্চার ক্ষেত্রে ঠিক যতটা গুরুত্বপূর্ণ, নতুন মায়ের জন্যও অনেকটা আনন্দের সাথে একটু কষ্টও থাকে। কষ্ট বলতে — শিশুর জন্মের ঠিক প্রথম রাত থেকেই শুরু হয় একটা Struggle.

তারপর থেকে  বাচ্চাকে রাত্রে উঠে খাওয়ানো, ভেজা কাপড় পাল্টানো, বাচ্চার ওপর বারবার লক্ষ্য রাখতে হয়। তারপর যত দিন যায় বাচ্চার প্রতিটি  Movement ও নতুন Activity খুবই আনন্দের লাগে নতুন মায়ের কাছে।

শিশুর প্রতি যত্ন কিভাবে করবেন-

খাওয়ানো-
একটি নবজাতক শিশুর পেটভরা খুবই জরুরি। শিশুকে কমপক্ষে ২-৩ ঘণ্টা অন্তর অন্তর খাওয়ানো দরকার। প্রথম ৬ মাস একটি বাচ্চাকে Brest Feeding করাতে হবে, তা শিশুর পক্ষে খুবই জরুরি। প্রথম ৬ মাস যদি বাচ্চাকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো যায় তাহলে ওই শিশুটির ইমিউনিটি পাওয়ার বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পায়। সুতরাং চেষ্টা করবেন যতটা সম্ভব মায়ের দুধ খাওয়ানোর। Mother Milk Is Best.

ঘুমের অভ্যাস-

আপনার ১ মাস বয়সী শিশুর দৈনিক ১৫-১৬ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন সেক্ষেত্রে দিনের বেলা ২-৩ ঘণ্টা ঘুমাবে আর রাত্রে ৮-৯ ঘণ্টা ঘুমাবে কিন্তু আপনার বাচ্চা যদি অনেকক্ষণ ঘুমায় তাহলে তাকে তুলে খাওয়ানোর চেয়ে বাচ্চার যখন খিদে পাবে সে নিজেই আপনাকে জানান দেবে। দিনের বেলা যদি বাছছাব অনেকক্ষণ ঘুমায় তাহলে নিজে বিশ্রাম নেওয়ার চেষ্টা করুন অযথা তুলবেন না।

স্নান করানো-

প্রথম ১ মাস বাচ্চাকে জলে ভিজিয়ে স্নান না করানোই ভালো, যতদিন না পর্যন্ত নাভিটি ভালো ভাবে শুকায়। নাভিটি যদি জলে ভেজে তাহলে  এতে অনেকেরই ইনফেকশন (Infection) হয়ে যাবার ভয় থাকে। মৃদু উষ্ণ গরম জল করে একটি নরম সাদা তোয়ালে কে ভিজিয়ে গা মুছিয়ে দিতে হবে। মাথায় অল্প পরিমান জল দিয়ে মুছিয়ে দিলে ভালো হয়। তারপর ভালো করে পুর শরীর রোদে একটু শুকিয়ে নিতে হবে।

চিকিৎসা-

শিশুর জন্মের পর টিকা বা ভ্যাকসিন দেবার পক্রিয়া শুরু হয়। আপনার বাচ্চাকে কোন ভ্যাকসিন গুলি গ্রহন করতে হতে সেগুলি সময় মতো নির্ধারণ করতে হবে, পাশাপাশি দাক্তারবাবুর পরামর্শ মতো বাচ্চার পরিচর্যা করতে হতে। আপনার শিশুকে কোনো সংক্রামিত বাক্তি থেকে দূরে রাখুন। শিশুকে খাওয়ানো অ জলপান করানোর আগে ভালভাবে হাত পা ধুয়ে নিন।

বাচ্চার সাথে সময় কাটান-

আপনার প্রিয় সন্তানটি যখনই জেগে থাকবে তখনই তার সাথে Eye-contact করুন, তার নাম ধরে ডাকুন, হাসুন, হাততালি বাজান- তবে তা খুব জোরে নয়। কিছু আওয়াজ করুন এবং তার দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করুন। বাচ্চাটির পেটের ওপর সুরসুরি দিন, কোলেনিয়ে আদর করুন। তার সাথে ছোট পুতুন, Teddy Bear ইত্যাদি দেখান যা শিশুর বিনোদন অ যোগাযোগের জন্য দুর্দান্ত হতে পরে।

 

ভালো লাগলে অবশ্যই বন্ধু ও Family র সাথে শেয়ার করবেন।

 

Share This Post:

Leave a comment